
আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়ে ফিরে এসে দেখেন নিজের পালন করা ১১টি মুরগি মারা গেছে। নিজের এই সম্বল হারানোর শোকে তাই মৃত মুরগিগুলোকে নিয়েই থানার গেইটে বসে বিচার দাবি করেন রশিদা বেগম (৫৫)। অভিযোগ করে তিনি বলেন, তিনি বাড়ির বাইরে ছিলেন। তখন প্রতিবেশীদের কেউ বিষ খাইয়ে মুরগিগুলোকে মেরে ফেলেছেন।
শনিবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে লালমনিরহাট সদর থানায় যান রশিদা বেগম। পরে রাতে তিনি ওই ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। রশিদা বেগম সদর উপজেলার গোকুন্ডার বেড়পাঙ্গা গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের স্ত্রী।
জিডিতে রশিদা বেগম উল্লেখ করেছেন, তিন–চার দিন আগে তিনি সদর উপজেলার ঢাকনাই কুড়ার পাড়ের এক আত্মীয়ের বাড়িতে যান। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়িতে এসে মুরগি খোঁয়াড়ে ওঠানোর সময় দেখতে পান, ১টি মুরগি ও ১০টি মুরগির বাচ্চা মৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
রশিদা বেগম বলেন, আমি চায়াচিন্তে টাকা জমায়ে মুরগিগুলো কিনেছিলাম। অনেক যত্ন করে পুষছিলাম। মুরগিগুলো বেঁচে থাকলে ডিম দিত, ডিম বেচতাম, খাইতাম, ডিম থেকে বাচ্চা হতো। এখন তো আমার সব শেষ হয়ে গেল। কে আমার এমন ক্ষতি করল? আমি তার বিচার আল্লাহর কাছে দিলাম।
রশিদা বেগম অভিযোগ করেন, প্রতিবেশীদের কেউ খাবারে বিষ দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে মুরগিগুলোকে তিনি যখন বাড়ির বাইরে ছিলেন, তখন হত্যা করে ফেলে রেখে গেছেন। তবে জিডিতে তিনি সুনির্দিষ্ট করে কারও নাম–পরিচয় জানাননি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের নাম প্রকাশ করলে তার আরও ক্ষতি হতে পারে।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরনবী বলেন, রশিদা বেগমের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়ে সাধারণ ডায়েরি (হিসেবে) হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Discover more from BD Khabor
Subscribe to get the latest posts sent to your email.




